মালদহের দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও করেছে হাজার মহিলা সহ সাধারণ মানুষ। ত্রিপল নেই -ত্রাণ নেই -খাওয়ার নেই -বিদ্যুৎ নেই। মানুষ ক্ষোভে পঞ্চায়েত ঘিরেছে। প্রধান পলাতক।
অভয়াকে আমরা কেউ ভুলিনি আজও। হইচই এ 'অজেয়া ' সিরিজটি অভয়ার প্রতিচ্ছবি। অয়ন চক্রবর্তি পরিচালিত এই সিরিজটি মানুষের মনকে নাড়া দেবে। চরিত্রের নামগুলো বদলে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের নামও বদলানো। কিন্তু চরিত্রগুলো যেভাবে দেখানো হয়েছে, তা একদম সঠিক। চিত্রনাট্যের ক্ষেত্রে হয়তো কিছুটা এদিকওদিক করা হলেও, বাকি পুরো বিষয়টা আমাদের সকলের জানা। রাজনৈতিক চাপ কথাটা সমস্ত অপরাধীদের মুখে উঠে এসেছে। এই রাজনৈতিক চাপটা আসলে কি ছিল সেকথাও সকলের জানা। তাহলে বর্তমান সরকার এখনও কেনো কিছুর কিনারা করতে পারছেনা? প্রশ্নটা সকলের। সিরিজ এ অভিনয় করেছেন সোহিনী সরকার, ইন্দ্রশিস রায়, সুদীপ মুখার্জি সহ আরো অনেকে। এসভিএফ এর নিবেদনে এই ওয়েব সিরিজটি মানুষকে আরও জাগ্রত করবে। সিরিজে দেখানো হয়েছে কোনো উচ্চ রাজনৈতিক মহলের কারোর বাড়ির ছেলে যুক্ত। সেটাও একদম ঠিক কথা। তাহলে তিনি কে? তাও কি আজও বর্তমান সরকার প্রমাণ করতে পারলো না। মেয়েটি কে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হলো, তার বিচার আজও সঠিকভাবে হলো না। কিন্তু সিরিজে সঠিক কিছু তথ্য দেখা গেলো। তাহলে কি বুঝতে হবে অভয়া সঠিক বিচার পেলোনা?
বাংলার ডিজিটাল বিনোদনে ২১ শে আগস্ট শুক্রবার একটি নতুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হলো কলকাতার একটি রিসোর্টে। ক্লিক ক্যানভাস এন্টারটেইনমেন্টের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। এদিন এই সংস্থার সিইও প্রিয়জিত পাল বলেন, তার ভাবনায় তৈরি এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হলো বাংলা ভাষার পাশাপাশি নেপালি, অসমীয়া, ওরিয়া, সাঁওতালি সহ ভারতের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষার বৈচিত্র্যময় কনটেন্টকে একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা। এদিন উপস্থিত ছিলেন জঙ্গলমহলের বিধায়ক, অনুপম হালদার ও অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা।
দীর্ঘ প্রায় দেড় মাসের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অচলাবস্থার পর বুধবার নাটকীয় ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে জলপাইগুড়ি পৌরসভায় বসলো অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। দিনভর তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর দড়ি টানাটানি, অনাস্থা ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা এবং শেষ পর্যন্ত ভোটের আগেই পৌরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের পদত্যাগের পর সন্ধ্যায় রাজ্য সরকারের নির্দেশে জলপাইগুড়ির মহকুমাশাসককে পৌরসভার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার খবর সামনে আসে। একসময়ের রাজনৈতিক সতীর্থদের আনা অনাস্থা প্রস্তাবের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার সকাল থেকেই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে থাকা তৃণমূলের কাউন্সিলররা পৌরসভায় উপস্থিত হন। কিন্তু ভোটাভুটির আগেই চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন সৈকত চট্টোপাধ্যায়। পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সৈকত চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরও কোনও তৃণমূল কাউন্সিলর পদত্যাগ করেননি। তাঁর অভিযোগ, পরবর্তীকালে কাউন্সিলর সন্দীপ মাহাতো, তপন ব্যানার্জি সহ কয়েকজনের উস্কানিতে এবং একটি রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের মদতে পৌর পরিষেবাকে অচল করার চক্...
Comments
Post a Comment